- যমুনা নন্দিনী -
জে-১৯০৩, চিত্তরঞ্জন পার্ক, নতুন দিল্লি - ১১০০১৯
ভারত-বাংলাদেশ সাহিত্য ও সংস্কৃতির সেতুবন্ধে
রাজধানী দিল্লির
পুরোগ প্রতিষ্ঠান ।
মূল প্রেরণা উৎস
- নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্র , ঢাকা, বাংলাদেশ ।
গত ৮ জুলাই,
২০১২, ভারতের রাজধানী দিল্লির জে-১৯০৩, চিত্তরঞ্জন পার্ক, ঠিকানায় বসেছিল আরাবল্লী
- বাংলা কবিতা চর্চা ও প্রসারের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় সেদিনের
সান্ধ্য অধিবেশন, যেখানে ভারত-বাংলাদেশ সাহিত্য ও সংস্কৃতির সেতুবন্ধে যমুনা নন্দিনী-র
আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় বলে চিহ্নিত হয়ে রইলো । সভাপতি
বিকাশ বিশ্বাস ও সহ-সভাপতি অঞ্জলি সেনগুপ্তের উৎসাহে এই প্রতিষ্ঠান শুধু
ভারত-বাংলাদেশ নয় আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলীতে বিশ্বজোড়া সমস্ত মানব সমাজের বাংলা ভাষা
ও সংস্কৃতির সকল পৃষ্ঠপোষকদের আহ্বান জানাচ্ছে একসাথে মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলা
মাতৃভাষাকে জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসনে প্রতিষ্ঠিত করার মৌলিক আগ্রহে । বহির্বঙ্গ বা
বাংলার বাইরে থেকে নয় বরং “বৃহৎবঙ্গ”
অর্থাৎ বাংলার বৃহত্তর সীমানায় বাস করে আমাদের
পূর্বসূরীদের মহান প্রচেষ্টাকে আরেকটু এগিয়ে নেবার সদিচ্ছাতেই এই আয়োজন । এই
সীমানাটা পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলাদেশ শুধু নয় বিশ্ববাঙালির বৃহৎবঙ্গ সম্মেলনের আওতায়
বাৎসরিক মিলনোৎসব ও পত্রিকা প্রকাশের আয়োজন আমাদের বন্ধুত্বকে আরো বিস্তৃত করুক এটাই কামনা । এরজন্য যমুনা
নন্দিনী সারা পৃথিবীর বাঙালি সমাজের পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা আশা করে ।
এই শুভ উদ্বোধন
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্র -র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক
সুলতানা রিজিয়া এবং সভাপতি সৈয়দ আলী আহমেদ আজিজ ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত
উপস্থিত থাকতে পারেন নি । দিল্লির বহু উৎসাহী কবি সাহিত্যিকদের সাথে উপস্থিত ছিলেন
কলকাতার প্রতিনিধি বরুণ চক্রবর্তী, দিলীপ মুখার্জী, সুব্রত দাস এবং ঋতা বসু ।
সঙ্গীত মুখর সেই কাব্যিক সন্ধ্যায় পূর্ণ সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলীতে যমুনা নন্দিনী-র
জন্মলগ্নটি হয়ে উঠেছিল বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি দায়বদ্ধতা প্রকাশের ও নিজস্ব
প্রতিশ্রুতি দানের এক মহা-মুহূর্ত । যমুনা নন্দিনী আন্তর্জাতিক স্তরে সারা
পৃথিবীর বাংলা ভাষাভাষি মানুষকে নিয়ে সম্মিলিত ভাবে কাজ করার শপথ গ্রহণ করে ।
সকলকে এক সূত্রে যুক্ত করার আহ্বানে তাঁদের ঠিকানা ও যোগাযোগের কথা জানিয়ে সেদিনের অনুষ্ঠান শেষ হয়
।
No comments:
Post a Comment